Home | বিশেষ প্রতিবেদন | রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে একের পর এক উস্কানিমূলক খবর দেয়ার উদ্দেশ্য কি?

রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে একের পর এক উস্কানিমূলক খবর দেয়ার উদ্দেশ্য কি?

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যেকোন ছোট্ট কোন ঘটনা ঘটলেও তা ফলাও করে সংবাদ মাধ্যমে প্রচার করা হচ্ছে। আর সেখানে দোষীদের যতটা না ফোকাস করা হচ্ছে তার চাইতে বেশী এসব ঘটনার জন্য দায়ী করা হচ্ছে রোহিঙ্গা জাতি গোষ্ঠীকে।বাংলাদেশের কয়েকটি সংবাদ মাধ্যম ইচ্ছে করেই এই ধরনের বিদ্বেষ উস্কে দিচ্ছে যা অনুসন্ধানে উঠে এসেছে।
চলুন এর বাস্তব একটি প্রমাণ দেখে নেয়া যাক।

গতকাল রাত একটার সময় এক দল ডাকাত রোহিঙ্গা ক্যাম্পে প্রবেশ করে রোহিঙ্গাদের টিউবওয়েল সহ অন্যান্য মালামাল লুট করার চেষ্টা করে। তাদেরকে সাধারণ রোহিঙ্গারা আটক করে।কারন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ৫ টার পর প্রবেশ করলে প্রশাসনের অনুমতি নিতে হয়।এখন যাদেরকে আটক করা হয়েছে হোক তারা বাঙালি কিংবা রোহিঙ্গা, তাদেরকে আটক করা কি অন্যায় হয়েছে? আইন কি সবার জন্য সমান নয়?
আটক কেন করা হয়েছে এই নিয়ে সংবাদ মাধ্যমে উস্কানি দেয়া হয়েছে।ঘটনার এখানেই শেষ নয়। আটক করার পর জানা যায় আটককৃতরা বাঙালি নয় রোহিঙ্গাদেরই একটি দল।কিন্তু বাংলাদেশের প্রথম সারির সংবাদ মাধ্যম এই ঘটনায় শিরোনাম করে বাঙালিদের পিটিয়ে রক্তাক্ত করেছে রোহিঙ্গারা।
দেখুন প্রথমা আলোর শিরোনাম
প্রথোম আলো তাদের খবরে দাবি করেছে আটকৃতরা বাঙালি।

একই ঘটনা নিয়ে ইত্তেফাকের সংবাদ দেখুন।

ইত্তেফাক বলছে যাদের আটক করা হয়েছে তারা ডাকাত আর এই ডাকাতদের আটক করছে রোহিঙ্গারাই।

এই ঘটনা নিয়ে আবার জাতিগত বিদ্বেষ উস্ককে দিচ্ছে অনেক সংবাদ মাধ্যম

এসমস্ত সংবাদ মাধ্যম গুলি অনেক আগে থেকেই তিলকে তাল বানিয়ে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচারে নেমেছে।যেখানে এক সঙ্গে ১০ লাখ মানুষ বসবাস করছে সেখানে কি প্রতিদিন অপরাধ মূলক একটি ঘটনাও ঘটতে পারেনা? ইউরোপে এমন অনেক দেশ আছে যাদের মোট জনসংখ্যা ১০ লক্ষের কম।সেসব দেশে কি প্রতিদিন একটিও অপরাধ মুলক ঘটনা ঘটছে না? এসব দুই একটি ঘটনা যারা ফলাও করে প্রচার করে তার দায়ভার ১০ লক্ষ রোহিঙ্গাদের উপর চাপাচ্ছে, রোহিঙ্গা বিদ্বেষ ছড়িয়ে দিচ্ছ্‌ তারা আসলে কি চায় তাদের উদ্দেশ্য কি?

পাঠকরা এব্যাপারে কি বলছে?


Comments

comments

About admin

Check Also

ক্যু-পাল্টা ক্যু’র ৭ নভেম্বর

৭ নভেম্বর, ১৯৭৫। বাংলাদেশ সময়ের এক অস্থির অধ্যায়। যে অধ্যায় কারও কাছে অন্ধকার, কারও কাছে আলোর। এ সময় ক্যু আর পাল্টা ক্যু’র অমানিশায় কয়েক মুহূর্তের ‘সরকারহীন’ রাষ্ট্রও দেখতে পায় বিশ্ব। রক্তপাতহীন আর রক্তপাতের এ দিনের ক্যু বিশ্বাস আর অবিশ্বাসের রাজনীতির জন্ম দেয়। সিপাহী-জনতার মাঝে ওই সময় যে দ্বিধা গেড়ে বসে, তাতে রাজনীতির পটপরিবর্তনও হয়। ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সেনাবাহিনীর এক পাল