Home | বিশেষ প্রতিবেদন | বিভাগীয় শহর সফর করবেন খালেদা

বিভাগীয় শহর সফর করবেন খালেদা

বিভাগীয় শহরগুলোতে সফরের পরিকল্পনা করছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। সিলেট বিভাগের মাধ্যমে তার এই সফর শুরু হওয়ার গুঞ্জনও শোনা যাচ্ছে। এ ছাড়া বগুড়া জেলাসহ গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি জেলায়ও সফরে যেতে পারেন সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী। তার এই সফরগুলোতে মানবিক বিষয়গুলো সামনে নিয়ে আসা হলেও মূল লক্ষ্য হবে নির্বাচনী প্রচারণা।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০ নভেম্বর বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে সারা দেশে কর্মসূচি পালন করা হবে। এবার খালেদা জিয়া বগুড়াতে তারেক রহমানের জন্মদিন পালন অনুষ্ঠানে অংশ নেয়ার কথা রয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

ঢাকার বাইরে খালেদা জিয়ার সফর কর্মসূচির পরিকল্পনায় আরও আছে, ডিসেম্বরে সিলেটে হযরত শাহজালাল ও হযরত শাহ পরানের মাজার জিয়ারতে যেতে পারেন তিনি। কক্সবাজারের মতো সিলেটেও সড়ক পথেই যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তার। এ বিষয়ে দল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।
এ ছাড়াও সিলেট সফরের পর বন্যা কবলিত এলাকাগুলোতেও সফরে যেতে পারেন তিনি। সেখানে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণের চিন্তা ভাবনা করছেন খালেদা জিয়া। একাদশ জাতীয় নির্বাচনের আগ পর্যন্ত খালেদা জিয়ার বিভাগগুলোতে সফরের বিষয়টি নিয়ে কানাঘুষা চলছে।
সম্প্রতি ঢাকা থেকে সড়ক পথে কক্সবাজার যাওয়ার পথে নেতাকর্মীদের যে উৎসাহ উদ্দীপনা বিএনপি চেয়ারপারসন দেখেছেন তারই পুনরাবৃত্তি চান অন্যান্য বিভাগীয় সফরগুলোতেও।

বিএনপি চেয়ারপারসনের বিভাগীয় সফরগুলোর তারিখ এখনও চুড়ান্ত হয়নি জানিয়ে দলটির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেন, আদালতে হাজিরা দেয়ার কয়েকটি তারিখ এলোমেলো রয়েছে। বখশিবাজার অালীয়া মাদরাসার মাঠে জবানবন্দি দেয়া দেশ হলে বিভাগীয় সফরের তারিখ চূড়ান্ত হবে।
তবে বিএনপি চেয়ারপারসনের সফর প্রসঙ্গে জানতে চাইলে খালেদা জিয়ার মিডিয়া উইং কর্মকর্তা শায়রুল কবির খান এ বিষয়ে কিছু জানেন না বলে জানান।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ বলেন, গত দুই বছর আমরা আন্দোলনমুখী কোনো কর্মসূচি দেই নাই। কিন্তু এখন তো সময় এসেছে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার। তার (খালেদা জিয়ার) কক্সবাজার সফর দিয়ে মাত্র শুরু। এরপরেও আমরা কিছু কর্মসূচি গ্রহণ করবো। সেখানে ব্যাপকভাবে সারা বাংলাদেশে বিশেষ করে বিভাগীয় শহরগুলোতে তিনি সফরে যাবেন।
এমএম/এআরএস/আইআই

Comments

comments

About admin

Check Also

ক্যু-পাল্টা ক্যু’র ৭ নভেম্বর

৭ নভেম্বর, ১৯৭৫। বাংলাদেশ সময়ের এক অস্থির অধ্যায়। যে অধ্যায় কারও কাছে অন্ধকার, কারও কাছে আলোর। এ সময় ক্যু আর পাল্টা ক্যু’র অমানিশায় কয়েক মুহূর্তের ‘সরকারহীন’ রাষ্ট্রও দেখতে পায় বিশ্ব। রক্তপাতহীন আর রক্তপাতের এ দিনের ক্যু বিশ্বাস আর অবিশ্বাসের রাজনীতির জন্ম দেয়। সিপাহী-জনতার মাঝে ওই সময় যে দ্বিধা গেড়ে বসে, তাতে রাজনীতির পটপরিবর্তনও হয়। ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সেনাবাহিনীর এক পাল

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *